ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​বড়াইগ্রামে রাস্তার জায়গা দখল করে বাগান তৈরি বাধা দেয়ায় গ্রামবাসীর নামে একাধিক মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৫-০৮ ২২:৩৯:৪৭
​বড়াইগ্রামে রাস্তার জায়গা দখল করে বাগান তৈরি বাধা দেয়ায় গ্রামবাসীর নামে একাধিক মামলা ​বড়াইগ্রামে রাস্তার জায়গা দখল করে বাগান তৈরি বাধা দেয়ায় গ্রামবাসীর নামে একাধিক মামলা


মোঃ রেজাউল করিম, রাজশাহী বিভাগীয় প্রধানঃ
 
নাটোরের বড়াইগ্রামের মাঝগাঁও ইউনিয়নের টুনিপাড়া গ্রামে নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সরকারী রাস্তার জায়গা দখল করে বাগান তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এতে পথচারীসহ অটোভ্যান-রিক্সা ও ব্যাটারীচালিত থ্রি-হুইলার চালকদের গাড়ি পার্কিংয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এদিকে, মাপজোকের পর গাছ কেটে নিতে বলায় উল্টো একাধিক মামলা দিয়ে তিনি গ্রামবাসীকে হয়রানী করছেন বলে জানা গেছে। 

স্থানীয়রা জানান, বাহিমালী বাজার থেকে টুনিপাড়া গ্রামের ডা. মজিবুর রহমানের বাড়ি পর্যন্ত পাকা রাস্তা রয়েছে। পাকা রাস্তার শেষ মাথা হওয়ার কারণে এখানে অটোভ্যান, রিক্সা, থ্রি-হুইলারগুলো রাস্তার উপরেই পার্কিং করা থাকে। কিন্তু একই স্থানে রাস্তার প্রায় ১১ ফুট প্রস্থ ও ৫০ ফুট দীর্ঘ জায়গা ওই গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম জোর করে দখল করে আম ও সুপারী গাছ লাগিয়েছেন। এমনকি রাস্তা সংলগ্ন কিঞ্চিত ফাঁকা জায়গাটুকুও তিনি বাঁশের বেড়া দিয়ে দখল করে রেখেছেন। গ্রামের প্রধানেরা উভয় পক্ষের সার্ভেয়ারের (আমিন) মাধ্যমে মাপজোক করে ভ্যান-রিক্সার স্ট্যান্ড তৈরির জন্য নুরুল ইসলামকে গাছগুলো কেটে নিতে অনুরোধ করেন।

কিন্তু তিনি তা না করে উল্টো আদালতে পৃথক দুটি মামলা দিয়ে গ্রামবাসীকে হয়রানী করছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। 

টুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জাফর উদ্দিন বাদশা ও গোলাম রসুল জানান, পল্লী চিকিৎসক মজিবুর রহমানসহ গ্রামের লোকজন নি
জের জমি ছেড়ে দিয়ে জনগণের স্বার্থে রাস্তা করে দিয়েছেন। কিন্তু নুরুল ইসলাম উল্টো রাস্তার জমি দখল করে গাছপালা লাগিয়ে রেখেছে। রিক্সা-ভ্যানের স্ট্যান্ড করার জন্য তার গাছগুলো কেটে নিতে বলায় মজিবুর রহমানসহ গ্রামের লোকজনের নামে দফায় দফায় মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম বলেন, আমি আমার জায়গাতেই গাছপালা লাগিয়েছি। যে মাপজোক দেয়া হয়েছে তা আমি মানি না। আমাকে হেয় করতেই তারা এসব দাবি করছে। 
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানান, আমরা এখনও মামলার নথিপত্র হাতে পাইনি। এগুলো পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ